July 31, 2026, 10:37 pm
শিরোনাম:
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতিকে অব্যাহতি গোপালগঞ্জে দুদকের দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এমপি ডা. কে এম বাবর’কে সংবর্ধনা মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলনে সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরের বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে জরুরি মেরামত—দ্রুত পদক্ষেপে প্রশংসিত গোপালগঞ্জ সওজ মধুমতি নদীজুড়ে চায়না দুয়ারী জালের দাপট, হুমকির মুখে দেশীয় মাছ মুকসুদপুরে বানিয়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী আয়োজন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে হরিসভা শুরু ভূয়সি প্রশংসায় ভাসছেন এমপি বাবর” দিলেন আগামী মাস থেকে ট্রেন ও ICU চালুর প্রতিশ্রুতি  বিজয়ের ভঙ্গিতে ঢাকাইয়া কন্যারা, আর তাদের উচ্ছ্বাসে কাঁপছে ফুটবল নগরী—ব্রাজিল এখন দুর্বার! ⚽ দর্শকদের উচ্ছ্বাসে জমজমাট ফাইনাল, ট্রফি উঠল ব্রাজিলের হাতে

উলপুর বাজারে প্রশাসনের বুলডোজার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা

Reporter Name

খাস জমি দখলে ‘জিরো টলারেন্স 

তানভীর হাসান সৈকত গোপালগঞ্জ:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন শরিফ। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উলপুর বাজার এলাকায় নাসির মোল্লা, সাজ্জাদ মিনা ও দ্বীন ইসলাম মোল্লা সরকারি খাস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস একাধিকবার বাধা দিলেও তারা তা আমলে না নিয়ে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় সরকারি জমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন শরিফ বলেন, “সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করলে প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। গোপালগঞ্জে এ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ও সরকারি খাস জমি কোনোভাবেই অবৈধ দখলে থাকতে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সব ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। সরকারি জমি রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখলের প্রবণতা থাকলেও প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে দখলদারদের জন্য কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে।