July 30, 2026, 7:38 pm
শিরোনাম:
গোপালগঞ্জে দুদকের দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এমপি ডা. কে এম বাবর’কে সংবর্ধনা মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলনে সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরের বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে জরুরি মেরামত—দ্রুত পদক্ষেপে প্রশংসিত গোপালগঞ্জ সওজ মধুমতি নদীজুড়ে চায়না দুয়ারী জালের দাপট, হুমকির মুখে দেশীয় মাছ মুকসুদপুরে বানিয়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী আয়োজন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে হরিসভা শুরু ভূয়সি প্রশংসায় ভাসছেন এমপি বাবর” দিলেন আগামী মাস থেকে ট্রেন ও ICU চালুর প্রতিশ্রুতি  বিজয়ের ভঙ্গিতে ঢাকাইয়া কন্যারা, আর তাদের উচ্ছ্বাসে কাঁপছে ফুটবল নগরী—ব্রাজিল এখন দুর্বার! ⚽ দর্শকদের উচ্ছ্বাসে জমজমাট ফাইনাল, ট্রফি উঠল ব্রাজিলের হাতে চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন নাইম এর নেতৃত্বে গোবরা ইউনিয়নে সবুজায়ন অভিযান শুরু

মধুমতি নদীজুড়ে চায়না দুয়ারী জালের দাপট, হুমকির মুখে দেশীয় মাছ

Reporter Name

ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক”

তানভীর হাসান সৈকত-

গোপালগঞ্জ জেলার মধুমতি নদীসহ বিভিন্ন খাল-বিলে অবাধে চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ছোট মাছ ও মাছের পোনা নির্বিচারে ধরা পড়ায় প্রাকৃতিকভাবে মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মধুমতি নদী এবং সিঙ্গা, সাতপাড়া, রাধাগঞ্জ, কলাবাড়ি, জলিরপাড়, হাতিয়াড়া ও উজানী ইউনিয়নের বিভিন্ন খাল-বিলে ব্যাপকভাবে চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অসাধু জেলেদের একটি অংশ এসব জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ধরনের জালের সূক্ষ্ম ফাঁসের কারণে বড় মাছের পাশাপাশি রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংরা, পুঁটি, কৈ, শিং, মাগুরসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ ও পোনা ধরা পড়ছে। ফলে মাছের স্বাভাবিক বংশবিস্তার ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রতিবছর দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, চায়না দুয়ারী জালের আমদানি, বিক্রি ও ব্যবহারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলে এর ব্যবহার অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ জাল জব্দ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিবছর প্রশাসন এক বা দুইবার ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হচ্ছে না। অভিযান শেষ হওয়ার কিছুদিন পরই আবারও একইভাবে অবৈধ জালের ব্যবহার শুরু হয়। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের বৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।