August 1, 2026, 12:39 am
শিরোনাম:
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতিকে অব্যাহতি গোপালগঞ্জে দুদকের দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এমপি ডা. কে এম বাবর’কে সংবর্ধনা মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলনে সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরের বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে জরুরি মেরামত—দ্রুত পদক্ষেপে প্রশংসিত গোপালগঞ্জ সওজ মধুমতি নদীজুড়ে চায়না দুয়ারী জালের দাপট, হুমকির মুখে দেশীয় মাছ মুকসুদপুরে বানিয়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী আয়োজন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে হরিসভা শুরু ভূয়সি প্রশংসায় ভাসছেন এমপি বাবর” দিলেন আগামী মাস থেকে ট্রেন ও ICU চালুর প্রতিশ্রুতি  বিজয়ের ভঙ্গিতে ঢাকাইয়া কন্যারা, আর তাদের উচ্ছ্বাসে কাঁপছে ফুটবল নগরী—ব্রাজিল এখন দুর্বার! ⚽ দর্শকদের উচ্ছ্বাসে জমজমাট ফাইনাল, ট্রফি উঠল ব্রাজিলের হাতে

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হোটেল নির্মাণ” খাল-সড়ক দখল-অদৃশ্য কারণে নিরব প্রশাসন

Reporter Name

১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হোটেল নির্মাণ” খাল-সড়ক দখল অদৃশ্য কারণে নিরব প্রশাসন।

গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আদালতের ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও বিরোধপূর্ণ জমিতে ভবন নির্মাণ ও সরকারি খাল-সড়ক দখলের অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এতে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জোয়ারিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম তার মালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক নির্মাণের অভিযোগ তুলেছেন প্রতিবেশী আবু জাফর মুন্সির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে এবং বাধা দিলে চাঁদাবাজি মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, বিরোধপূর্ণ স্থানের পাশের সরকারি খাল ও সড়ক দখল হয়ে যাওয়ায় খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকটে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকদের চলাচলের পথও সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত খাল পুনঃখনন, দখলমুক্তকরণ ও কৃষি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবু জাফর মুন্সি বলেন, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো নির্মাণকাজ করবেন না।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কৃষি উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।