April 19, 2026, 1:01 pm
শিরোনাম:
একাধিক মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা নিয়ে আসামী মামুন ভূঁইয়ার দৌরাত্ম্য ব্যাপক লোডশেডিংয়ে নাকাল গোপালগঞ্জবাসী” উলপুর ইউনিয়নের সর্বজনীন মন্দিরের জমি দখল- টাকা ছিনতাই ও নারীদের উপর হামলার অভিযোগ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের অনিয়ম চরমে-সিডিউল টাইমে অনুপস্থিত অধিকাংশ চিকিৎসক। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অনিয়ম চরমে “সিডিউল টাইমে অনুপস্থিত অধিকাংশ চিকিৎসক  গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, ভোগান্তিতে রোগী-ক্ষোভে ফুঁসছে জনসাধারণ হামের ছোবলে দিশেহারা দেশ” টিকা গ্রহণের আগেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ স্বাধীনতা ও বিজয় স্মৃতিস্তম্ভের বেদীতে” শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এর মধ্য দিয়ে গোবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের আত্মপ্রকাশ কাশিয়ানীতে সমাজসেবা অফিসে অনিয়মের অভিযোগ গোপালগঞ্জের সড়ক দুর্ঘটনার কবলে সাংবাদিক দম্পতি

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, ভোগান্তিতে রোগী-ক্ষোভে ফুঁসছে জনসাধারণ

Reporter Name
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

ছবি: যুবকণ্ঠ

তানভীর হাসান সৈকত, স্টাফ রিপোর্টারঃ

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও দেরিতে আসার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ রোগীরা। সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়—চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও অধিকাংশ দায়িত্বরত চিকিৎসক তখনও কর্মস্থলে উপস্থিত হননি।

হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে রোগী ও তাদের স্বজনদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারি দায়িত্বে অবহেলা করে চিকিৎসকরা ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখায় বেশি মনোযোগী হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারি অফিস সময় সকাল ৯টা নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে সকাল ১০টা পর্যন্তও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের চিকিৎসকদের দেখা মেলেনি। এর মধ্যে ডা. মুহাম্মদ নাজমুল হক লস্কার, ডা. আলীনূর, ডা. রেনেসা ইসলামসহ একাধিক চিকিৎসক অনুপস্থিত ছিলেন। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ সেবাদান কেন্দ্র এনসিডি কর্নারও বন্ধ অবস্থায় দেখা যায়, যা রোগীদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিভাগের চিকিৎসক সুচিতা পাল শাপলা জানান, তিনি খুলনা থেকে আসেন, তাই সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছান। যদিও তিনি স্বীকার করেন যে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে আসার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে ডা. মোজাম্মেল হোসেন দেরির বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতোষ বিশ্বাসের অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় সেখানে উপস্থিত এক কর্মচারীর কাছে তার অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে, গণমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে তিনি দ্রুত সেখান থেকে সরে যান, যা পরিস্থিতিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

এমন অবস্থায় রোগীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। অনেকেই বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।