মোঃ সাহিদ আহম্মেদ টুটুল:
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুরবানির পশুর বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেলিমুজ্জামান সেলিম। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে সচেতনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সম্প্রতি এক সচেতনতামূলক বক্তব্যে তিনি বলেন, কুরবানির পশুর বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই প্রতিটি পরিবারকে নিজ নিজ এলাকার নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজে সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “ঈদের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন আমাদের আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ থাকবে। সবাই যদি একটু সচেতন হই, তাহলে খুব সহজেই পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্ভব।”
মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ইতোমধ্যে বর্জ্য অপসারণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এছাড়া দ্রুত বর্জ্য অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর ঈদের সময় পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। তবে এবার আগেভাগেই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানানোয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।
এদিকে পরিবেশ সচেতন মহল মনে করছে, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের এমন উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ দায়িত্বশীল আচরণ করলে ঈদুল আজহা উপলক্ষে পুরো এলাকা পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখা সম্ভব হবে।