গাছ কেটে নেওয়ার খন্ড চিত্র
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নম্বর সুকতাইল ইউনিয়নের উত্তর সুকতাইল সাহেদা মঞ্জিল সংলগ্ন সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে আবুল খায়ের মোল্লা গং এর বিরুদ্ধে।
অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাস্তার পাশের কয়েকটি গাছ কাটা হয়েছে। এই গাছগুলো কেটেছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল খায়ের মোল্লা। আবুল খায়ের মোল্লার সঙ্গে গণমাধ্যমের কথা হলে তিনি জানান, অন্যান্য গাছগুলো আমাদের পৈত্রিক জায়গার শুধু একটি গাছ সরকারি জায়গায় যা আমি তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।
আবুল খায়ের মোল্লা বলেন, “জায়গাটা আগে হাজী সাহেবের ছিল, এখন খাস হয়ে গেছে। এই জায়গা থেকে অন্যরাও—হাফিজ, সাইফুলসহ—গাছ বিক্রি করছে। তখন তো কোনো বাধা আসেনি, এখন এত বাধা কেন?”
এদিকে গাছ কাটার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করে দেন পাইকেরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের চলতি দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল কুমার রায়। পরে কাটা গাছগুলো স্থানীয়দের জিম্মায় রেখে আসা হয়।
শ্যামল কুমার রায় বলেন, “আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করেছি। গাছগুলো সেখানকার মানুষের জিম্মায় রেখে এসেছি। সঠিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাই না হওয়া পর্যন্ত কেউ গাছ নিতে পারবে না। এখানে সরকারি জায়গা রয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আবেদ আলী মোল্লাকে পাওয়া যায়। তিনি দাবি করেছেন, জায়গাটি তাদের এবং তার ভাই আবুল খায়ের ওই গাছ কেটেছেন। 
এ বিষয়ে ৩ নম্বর সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রানা মোল্লার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “সরকারি জায়গা থেকে গাছ কাটার খবর আমিও পেয়েছি। আমি এ মুহূর্তে এলাকায় নেই। তাৎক্ষণিকভাবে ভূমি অফিসকে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।”
সরকারি জায়গার মালিকানা ও গাছ কাটার বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ভূমি অফিস।